ফিচার
Published : 03 Jan 2026, 08:14 AM
এবার শীত এসেছে আগেভাইে। বিদায়ী বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকেই প্রকৃতিতে শীত পরিপূর্ণভাবেই এসেছে।
২৯শে ডিসেম্বর থেকে টানা কয়েকদিন দেশের আকাশে সূর্যের দেখা মেলা ছিল এক দুর্লভ ব্যাপার। দিনের পর দিন রোদ না থাকা মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে।এবারের শীতের শুরুতেই গুড়িগুড়ি বৃষ্টির মােত জলকণার উপস্থিতি। খালি চোখে কিছু দেখা না গেলেও রাস্তায় বের হওয়া মানুষের নাকে-মুখে বা পোশাকে এক ধরনের আর্দ্রতা অনুভূত হচ্ছিল। অনেকে একে তুষারপাত ভেবে ভুল করলেও, আসলে এটি ছিল অতি ঘন কুয়াশার একটি রূপ।
ইতিহাসের পাতায় হাড়কাঁপানো শীত
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবারের শীত অত্যন্ত কষ্টদায়ক মনে হলেও ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা। এই অঞ্চলের মানুষ এর আগেও এর চেয়েও বেশি হাড়কাঁপানো এবং হিমশীতল শীতকাল পার করেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১৯৪৭ সাল থেকে সংরক্ষিত তথ্য বলছে, বাংলাদেশ অতীতেও ভয়াবহ কিছু শৈত্যপ্রবাহের সাক্ষী হয়েছে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ডটি খুব বেশি পুরনো নয়। দীর্ঘদিন শ্রীমঙ্গলের রেকর্ড অক্ষত থাকলেও ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমে এসেছিল মাত্র ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এটিই এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
এক নজরে বাংলাদেশের স্মরণীয় কিছু শীতলতম দিন:
সাল স্থান তাপমাত্রা (ডিগ্রি সে.)
২০১৮ তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) ২.৬ (সর্বকালের সর্বনিম্ন)
১৯৬৮ শ্রীমঙ্গল (সিলেট) ২.৮
২০১৮ সৈয়দপুর ২.৯
২০১৩ রংপুর ও দিনাজপুর ৩.০ (প্রায়)
১৯৬৪ শ্রীমঙ্গল (সিলেট) ৩.৩
২০০৩ রাজশাহী ৩.৪
পৌষের এই হাড়কাঁপানো ঠান্ডা মাঘে গিয়ে কোন রূপ নেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়। এই শীতে সুস্থ থাকতে শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ নজর রাখার পরার্মশ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
Add a Comment